Live Cricket ( JEWEL TV)

বৃহস্পতিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০১১

অনলাইনে নিশ্চিত আয় করুন প্রতি মাসে কমপক্ষে ৫৬০০ টাকা……

যারা ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করেন কিংবা অনলাইনে টাকা-পয়সা লেনদেন সংক্রান্ত কাজ করেন তাদের কাছে পেপ্যাল (paypal.com) খুব পরিচিত নাম। বিভিন্ন পিটিসি সাইট, এফিলিয়েট মার্কেটিং ইত্যাদিতে কাজ করেন তারা পেপ্যালকেই বেছে নেন নির্ভরযোগ্য অনলাইন মানি মিডিয়া হিসেবে। কিন্তু দু:খের বিষয় এই যে, অত্যন্ত সিকিউরিটি আর ব্যবহার বান্ধব এই পেপ্যাল আমাদের বাংলাদেশী ব্যবহারকারীদের জন্য অনুমোদনপ্রাপ্ত নয়। তবে আশার বাণী এই যে, খুব শীঘ্রই বাংলাদেশে পেপ্যাল সাপোর্ট পাওয়া যাবে। এই ব্যাপারে যদিও কোন নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি তথাপি বলা যায়। কারন ফ্রিল্যান্সিং কাজের উপর ভিত্তি করে আন্তর্জাতিক রেংকিং এ বাংলাদেশ সেরা ৫ এর মধ্যে।

তবে আপনি অন্য দেশের একটা ঠিকানা দিয়ে পেপ্যাল খুলে ভেরিফাই না করেও কিন্তু কাজ চালাতে পারেন। যেমন, আপনি একটা ঠিকানা দিয়ে পেপ্যাল খুলতে গেলে ভেরিফিকেশনের জন্য মূলত: আপনার দরকার পড়বে -
  • ঠিকানা
  • মোবাইল নম্বর
  • ব্যাংক একাউন্ট
ব্যাংক একাউন্টে পেপ্যাল থেকে ছোট্ট এ্যামাউন্ট (যেমন: ০.১৮ সেন্ট / ০.১৫ সেন্ট) দু’বার পাঠানো হয়। ব্যাংক ভেরিফিকেশনের জন্য ২-৩ দিন সময় লাগে (বিজনেস আওয়ার অবশ্যই)। পেপ্যাল যখন আপনাকে ব্যাংক একাউন্টে এ্যামাউন্ট পাঠাবে তখন আপনার পেপ্যাল এ্যাকাউন্টে লগইন করে এ্যামাউন্টের পরিমান বলতে হবে। সঠিক তথ্য দিতে পারলে আপনার ব্যাংক এ্যাকাউন্ট এসোসিয়েটেড হয়ে  সাথে সাথে আপনার পেপ্যাল এ্যাকাউন্ট ভেরিফাইড হয়ে যাবে।
পেপ্যাল থেকে  ব্যাংকে টাকা পাঠানো হলে ১০০ ডলার এর নিচে ২-৩ দিন সময় লাগে এবং  ১০১-৫০০ ডলার হলে ৪-৫ দিন সময় লাগে ব্যাংকে টাকা পৌঁছতে। একইভাবে, ব্যাংক থেকে যদি পেপ্যালে নিতে চান এরকম সময়ই লাগবে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, পেপ্যাল থেকে ব্যাংকে ৩০০ ডলার এর উপরে টাকা পাঠালে পেপ্যাল টাকা আটকে দেয় এবং জানতে চায় কিভাবে এই টাকা আপনার এ্যাকাউন্টে এসেছে। এমতাবস্থায়, পেপ্যালের কাষ্টমার কেয়ারে ফোন করলে সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। ই-মেইলেও সমস্যার সমাধান করা যায় কিন্তু সেটা দীর্ঘ মেয়াদি। ই-মেইলের চাইতে সরাসরি ফোন করাকেই পেপ্যাল বেশী প্রাধান্য দেয়।
আপনি যদি অনলাইনে ছোট-খাট কাজ করে মাসে ২০-৫০ ডলার আয় করতে চান এবং চিন্তা করেন টাকা কিভাবে উত্তোলন করব এক্ষেত্রে আমি আপনাকে উপদেশ দিব, যেকোন একটা ঠিকানা দিয়ে পেপ্যাল একাউন্ট খুলে ফেলুন। ভেরিফিকেশন এর দরকার নেই। ব্যাংক এ্যাকাউন্টেরও দরকার নেই। আপনি যে সাইটে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করছেন সে সাইট থেকে আপনার পেপ্যাল একাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করুন এবং আপনার টাকাটা যেকোন ফ্লেক্সিলোড সাইট থেকে পেপ্যাল দিয়ে মোবাইল কার্ড কিনে নিন। ব্যাস, আপনার টাকা আপনার হাতে চলে আসল কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই।
ফ্লেক্সিলোড এর জন্য একটা নির্ভরযোগ্য সাইট হল- http://www.flexi-load.com, অথবা http://www.remit2cell.com। আমি নিজেও এই সাইট থেকে মাঝে মাঝে ফ্লেক্সি করি।
তাছাড়া পেপ্যাল থেকে টাকা উত্তোলনের জন্য বাংলাদেশী একটা সাইট আছে http://www.paypalbd.com। আপনি চাইলে এই সাইটের মাধ্যমেও টাকা উত্তোলন করতে পারেন। পেপ্যালবিডি তে এ্যাকাউন্ট তৈরী করে ২০০-৫০০ টাকা সদস্য ফি জমা দিয়ে হয়ে যান বার্ষিক সদস্য। এরপর আপনার টাকা ওদের মাধ্যমে উত্তোলন করুন যেকোন সময়। প্রতি ট্রান্জেকশনে তারা ৫% – ১০% ফি নিয়ে থাকে। এই পদ্ধতিটিই সবচাইতে সহজ এবং সিকিউরড। পেপ্যালবিডি থেকে ওডেস্ক, ইল্যান্স, ফ্রিল্যান্সার এর টাকাও খুব সহজে উত্তোলন করা যায়।
তাই আর দেরী কেন, আজই শুরু করে দিন অনলাইন ভিত্তিক কাজ এবং নিজের আয় নিজে করুন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন